অনেক দিন থেকেই ইচ্ছা ছিল এমন এক দুঃসাহসিক কাজ করার, যা আগে কখনও চেষ্টা করিনি। কল্পনায় সেটা ছিল পাহাড়ে ওঠা বা সমুদ্রে সাঁতার এমন কিছু। কখনও ভাবিনি যে সেটা হবে সান দিয়েগোর সি‑ওয়ার্ল্ডের ভেতরেই! ডলফিনের প্রদর্শনী দেখতে গিয়েই হঠাৎই সেই সুযোগ সামনে এলো। সি‑ওয়ার্ল্ড মানেই তো সামুদ্রিক প্রাণীর জগৎ—ডলফিন, অরকা, সি‑লায়ন। ওখানে প্রাণী দেখাই স্বাভাবিক। কিন্তু জেনারেশন জেড মানে আমার ছেলের সাথে থাকলে স্বাভাবিকের বাইরে কিছু ঘটবেই—ওদের ছটফটে মন কখন যে কোথায় নিয়ে যায়, বলা মুশকিল। না হলে হঠাৎ করে মান্তা রোলার কোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে বলতো না: “চলো, তোমার একটা স্বপ্ন পূরণের দিন এসে গেছে।” বয়সের তোয়াক্কা না করেই লাইনে দাঁড়ালাম। নজরে এলো—একটা উচ্চতা মাপার দণ্ড আছে, কিন্তু বয়সের কোনো মাপদন্ড নেই। সমবয়সী এক পক্ককেশ মেক্সিকানকে লাইনে দেখে আশ্বস্ত হলাম, যাক, কেউ তো আছে আমার মতো দুঃসাহসিকতাপ্রিয়। গাম চিবোতে চিবোতে ঘাড় নেড়ে ইঙ্গিত দিলো—“আমিও আছি।” তার ঘাড়ে গর্দানে চেহারা নজরে এলেও তখন বুঝিনি, শুধু সাহসে ভর দিয়ে পাখা মেললেই চলবে না, একটা ভালো ঘাড়ও দরকার! জানতাম না আমার প্রদাহযুক্ত ঘাড়কে আর...
Posts
Showing posts from May, 2026
- Get link
- X
- Other Apps
অশথের নীরব মহাকাব্য: অশথ এক পায়ে তিন হাজার সাল ত্রেতা–দ্বাপর–কলির সৃষ্টিচক্রের জ্ঞান তিন কন্যায় শের হুয়া শেরম্যান। চলমান অর্জুন চলে অশথের খোঁজে চঞ্চলতা স্থিরতাকে জড়িয়ে থাকে কিছুক্ষন। ইতিহাস ভুলে প্রেমহীন মন বৃক্ষ বলয়ে অজান্তেই সৃষ্টি করে চলেছে খরা, বৃষ্টি, আগুন, সাম্রাজ্যের উত্থান–পতন— যুগ যুগ ধরে বহমান মানুষের ভুলে যাওয়া মূল্যবোধের এক নীরব মহাকাব্য।