Posts

 কস্টকো তে কষ্ট, চলে যাই রস গো  এটা চাই ওটা চাই বাবু আছে তাই তো,    রেনেসাস এর দরজায় মারি এক ঢুঁ ত্রিভুজের খোঁজে মুগুর ভাজি বহু।    দুমদাম চলে যাই স্প্রাউট এর পাশেতে  মেঘেদের গুঞ্জনে ডেল মার্ আছে যে নোবেল এর নিরালায় ধরা সেই হাসিটি    কিউবিস্ট জ্যামিতির যেন ভাঙা বাঁশিটি।  পৃথিবী এক হলেও অনেকটাই অন্য  আর এক পৃথিবী বুঝি কতটা বিপন্ন  দুই পৃথিবী পাশাপাশি হাঁটে— একটি অস্তিত্বে, অপরটি ডিসকাউন্টে।  
বর্ডার পেট্রল থেকে পর্দার বেট্রল— আইস–কাস্টমসের ব্যঙ্গে জমে ওঠা ক্ষীর। কিউবার ভাঙা জ্যামিতি ছড়িয়ে বয়স্কা বিমানসেবিকার আভোকাডো–টোস্ট মাখা ঠোঁটে স্টার ফ্রাইয়ের ভিড়। লা জোলার ঢেউয়ের মানচিত্রে নৌ– নীলের  গভীরে জমে ওঠে এক নীরব উত্তেজনা। স্পেশাল এক উড়ানে ভর করে নতুন নকশার দীর্ঘ পথচলা— অলস রোদে ভিজে থাকা নেভি সীল জানালায় শোনে ইরানি যাত্রাপালা। টরটিলা আর টাকোর গন্ধে গ্যাসল্যাম্পের আলোয় জেগে ওঠে শহর। প্যাসিফিক বাতাসে ভেসে আসে সীমান্ত–গল্পের লবণাক্ত উষ্ণতা। যাত্রী বোঝে— প্রতিটি যাত্রাই শেষমেশ পৌঁছে দেয় নিজেরই এক চেনা উপকূলে।
মা – প্রতীক্ষার দীপশিখা বোসপুকুর থেকে বাগুইহাটি লজঝড়ে বাসের অচেনা ভিড়ে, মায়ের প্রতীক্ষার একটি ঘন্টা, শীর্ণ কম্পিত হাতে চা, ওমলেট  কখনো বা ভাজা চিড়ে। চিৎকার চ্যাঁচামেচি হৈ চৈ, মনে পড়ে মাঝ রাতে দিন ওই। হিমোগ্লোবিন, বি টুয়েলভ কমলেই, কাজের লোক, রাঁধুনি সব কই। হুল্লোড় ছুটে চলে কসবা টু কালীঘাট, বেহালা তো বালিঘাট, খেলিছ এ বিশ্বলয়ের মধুর আওয়াজ, থেমে যায় গুঞ্জন, এক ঘর গুরুজন।   উকিল দাদু আছে কালীঘাট পাড়ে, সব কটাকে আজ জেলে ঢোকাবো রে, ডাক্তার পরেশান, কথার ফুলঝুরি  হাসির আড়ালে এখন শুধু শূন্য সুরই। মা এখন বিরানব্বই, তবু দীপ জ্বলে, শীর্ণ হাতে আশীর্বাদ ছড়িয়ে চলে।
যুদ্ধযন্ত্রে যবনিকা: কামিকাজে করে কাজ   শাহীন ছোটে শাহীনবাগ   টর্পেডোয় আইরিশ ভঙ্গ   হরমুজে তরমুজ তরঙ্গ   তেলকূপে তপ্ত ফুজাইরা   ইরানে ইরানি ইশারা।     রাডার ঘুরে রামাদি   মিসাইল ছোটে মানামা     ড্রোনের আগুনে শিরাজ  মিনাবে বিলাপ বিরাজ।    তেহরানে তীরের তপকুণ্ড   গালফে গর্জন প্রচণ্ড খুররাম খুরাফাতি মাশুল রক্তের ঋণ উশুল   যুদ্ধযন্ত্রে নামে যবনিকা। 
কামিকাজ করে কাজ শাহীন শাহীন বাগ টর্পেডোয় আইরিশ ভঙ্গ হরমুজে তরমুজ তরঙ্গ দ্বিতীয় অধ্যায়: আগুনে শহর ড্রোনের আগুনে শিরাজ তেলকূপে তপ্ত তর্ক মিসাইল চেপে মসুল রক্তের ঋণ উশুল তৃতীয় অধ্যায়: প্রযুক্তির তাণ্ডব রাডার ঘুরে রামাদি বাসরায় বাজে বোমাঘর সাবমেরিনে সাবাড়ি ইরানে ইরানি ইশারা চতুর্থ অধ্যায়: গোপন গর্জন গালফে গর্জন গোপন যুদ্ধের যন্ত্রে যবনিকা খুরাফাতি খুররাম হামলা হরদম হাহাকার হুল্লোড় কামিকাজে করে কাজ শাহীন চেপে শাহীন বাগ টর্পেডোয় আইরিশ ভঙ্গ হরমুজে তরমুজ তরঙ্গ ড্রোনের আগুনে শিরাজ তেলকূপে তপ্ত তর্ক মিসাইল চেপে মসুল রক্তের ঋণ চাই উশুল রাডার ঘুরে রামাদি বাসরায় বাজে বোমাঘর মিনাবে শিশুদের মৃত্যু খুরাফাতি খুররাম হামলা
ডাক্তারদের জীবনে আজ প্রবেশ করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। মানবতার সীমাহীন প্রশ্নের ভেতর AI হয়ে উঠছে ডাক্তারদের সহযাত্রী—কখনো প্রতিধ্বনি, কখনো আশার আলো। আমার এই কবিতায় ধরা আছে সেই দ্বন্দ্ব, যেখানে চিকিৎসা আর প্রযুক্তি মিলেমিশে তৈরি করছে এক নতুন বায়োস্কোপ। ডেটার অতলান্তে ডাক্তার: অতলান্তিক ডেটার ঢেউয়ে নিউরাল নেটওয়ার্কের সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে ভেসে থাকা হাসপাতালের করিডোরের গন্ধে জমে থাকা স্টেথোস্কোপের ধুলোয় রোবোধ্বনি প্রতিধ্বনি তোলে অপেক্ষায়। বায়োস্কোপের সমুদ্দুরে রাত জাগা ডাক্তার জেনারেটিভ মডেলে আঁকবে নতুন দৃশ্য নলেজ গ্রাফে জুড়ে যাবে অচেনা সম্পর্ক প্রেসক্রিপশনে, লাশ কাটা ঘরে।
 আঙ্কোরভাটের সন্ধ্যা: রেখা দুটি সরল থেকে সমান্তরালে বাঁক নেয়,   ট্রাপিজ হয়ে ঝুলে থাকে ত্রিভুজের ভাঁজে।   জ্যামিতির ভাঙা সূত্রের ভেতর   ঘূর্ণমান এক অক্ষের খোঁজে—   তুমি কি শব্দহীনতায় হাজার বছর হারিয়ে যাবে   আঙ্কোরভাট মন্দিরের গহ্বরের মাঝে?   প্রতিটি স্তম্ভে খোদাই করা দেবতার দৃষ্টি,   পলপটের ছায়ায় ইতিহাসের রক্তমাখা স্মৃতি,   ধূপের ধোঁয়ায় প্রেতাত্মার ছটফটানি,   বিনাশের আগে পরিত্রাণের আর্তি।   ফিরতিপথের পক্ষিকুলের শব্দজব্দে তোমার   বিষ্ণুলোকে তখন সন্ধ্যা নামে।