Posts

Bridges of Memory: A Collection of Poems Author: Sandip Kumar Ghosh Chapter 1: Lights of the World Seoul’s Light In Seoul’s glow, What magic the Korean bands weave— K-pop Jimin’s wisdom, K-drama Yoona’s tenderness, The warmth of ramen noodles in late-night chatter. Glass-skin shines with Soyeon’s sparkle, Pinterest spirals of noodles in play, Unveiling the last scene of a Korean tragedy. Three sisters—laughter and tears, diamonds and emeralds— In the soft touch of solitude, Korean “Hello,” serum’s glow, a body’s broken rhythm Falls upon the spring soil. Chapter 2: Nature and Memory Returning to the Cuckoo’s Nest: In the black hair of flying clouds, A sudden smile’s enchantment, The courtyard of the mind has crossed fifty, Perhaps the shadow of sixty. The first time I saw you— Whispering forest, mist-covered lake, A house of sorrow turned into quiet wealth, Your eyes, silent treasures. Ah, those hear pumping moments return— Stories by the pond, Rebooted in unconditional hands, Where I s...
সিওলের আলো: সিওলের আলোয় কি জাদু কোরিয়া ব্যান্ডে মায়া লাগাইছে কে-পপ জিমিনের জ্ঞান, কে-ড্রামা ইউনার কোমলতা আড্ডায় গরম রামেন নুডলসের আকুলতা গ্লাস স্কিনের ঝলকে ঝলমলে সোইয়ন পাইন্টারেস্টে পাক খাওয়া নুডলসের খেলায় উন্মোচিত হয় কোরিয়ান ট্র্যাজেডির শেষ দৃশ্য। তিন বোনের হাসি-কান্না, হীরা-পান্না নিঃসঙ্গতার মৃদু সংযোগে কোরিয়ান হ্যালো, সিরামের গ্লো, দেহের বিকল ছন্দ আছড়ে পড়ে বসন্তের মাটিতে।
জেন্ জি ও সম্পর্ক : ছটফটে এক সকাল থেকে আলকাতরার অন্ধকারে অবতরণ, শুকিয়ে দড়ি পাকানো সম্পর্কগুলো ডিজিটাল সিগন্যালের ডানায় জড়িয়ে নেয় সচেতন জেন জি' মন। শরীরী ভাষার সংকেত ডিকোড করতে করতে নক্ষত্রের মিমের মতো ঝলসে ওঠে সময়, সকাল সন্ধ্যায় সেতুবন্ধের গ্লিচে ইনস্টাগ্রাম এ কফি হাতে নীরব সম্পর্ক খোলামেলা অস্তিত্বের নতুন অ্যালগরিদমে ইমোজি হয়ে ডিসল্ভ হয়ে যায় এক অনন্ত স্ক্রলিং ফিডে।
  এইচ-ওয়ান-বি’র স্বপ্ন: ওয়ার্ক ফ্রম হোম, ওহাহু হনলুলু রোম ইনস্টাগ্রামে এলোমেলো, টিকটকে যত ভ্রম স্পটিফাইয়ের গান, নেটফ্লিক্সের অমোঘ টান জুম কলে জমে থাকা হাসি এইচ-ওয়ান-বি’র স্বপ্ন—ভীষণ ভালোবাসি। হ্যাশট্যাগে স্বপ্ন, ইমোজিতে ভগ্ন গুমরে কাঁদে মায়ের মন, অস্তগোধূলির লগ্ন অজাত কত প্রাণ, কে নেবে তার ঠেলা কতদিন চলবে এই খামখেয়ালি খেলা বাম-ডান সোয়াইপে ফুরিয়ে যে যায় বেলা।
সাইয়ারার প্রত্যাবর্তন: জেন জি পরিযায়ী পাখি উষ্ণতার উপহার বয়ে আনে, গোলার্ধ ছুঁয়ে গোলার্ধে, শীতের নিস্তব্ধতা ঢেকে অপেক্ষমান— সাইয়ারা। সে সহসা ডালপালা উতলা করে   হেমন্তে কোনো বসন্তের বাণী পৌঁছে দেয়। সে সূর্যাস্তের রঙিন লাল সমুদ্র, আল্পনা-আঁকা পাখিদের উজ্জ্বল চোখ, কালো ধোঁয়া নয়, ভোরের নির্মল নিশ্বাস— ভোরের প্রতিশ্রুতিতে ফিরে আসে সাইয়ারা।
জেন জি পরিযায়ী পাখির   উষ্ণতা বিনিময়ের তাগিদে   গোলার্ধ থেকে গোলার্ধ ছুঁয়ে চলা   শীতের আড়ষ্টতা ঢেকে অপেক্ষারত সাইয়ারা   সেকি সহসা ডালপালা উতলা করে   হেমন্তে কোনো বসন্তের বাণী?   সূর্যাস্তে মাখা লাল সমুদ্র,   নাকি এ কেবল ফুসফুসভর্তি কালো ধোঁয়া—   ভোরের প্রতিশ্রুতিতে খুঁজে ফেরা সাইয়ারা,   অস্তিত্বের অনন্ত যাত্রার প্রতীক।
ধূসর মেঘের হাতছানি: ছটকালির মহিমায়, কবন্ধের নৃত্য— গলির বাঁকে, সংগীতের ঢেউয়ে জেগে ওঠে ভবিষ্যতের ভয়ঙ্কর, অদ্ভুত দৃশ্য। রাতটা আরও কালো হয়ে উঠুক, আলো নয়, শব্দেই জ্বলে উঠুক শহরের মুখ। সিটি অফ জয়-এর শব্দের ট্রামলাইনে, নীল মদের ঘোর লাগা চেতনায় বিস্ফোরণের তাণ্ডব, ছিন্নভিন্ন একেকটি স্মৃতির পৃষ্ঠা। যোগনিদ্রায় বিলীন হোক অনন্তকাল, নৃত্য-আলো-শব্দে গলে যাক একটি অনুচ্চারিত আত্মার স্রষ্টা।