Posts

জয়-পরাজয়ের মাপজোক ‘মন কি বাত’ ব্যানারে ‘কাম কি বাত’, পাথরবাজ পথে জেন জি’র সাথ, রাজধানীর আঙিনায় কুস্তি-কাবাডি, টিয়ার গ্যাসে ভেজা দিন-রাত, রক্তিম পতাকার নিচে অস্থির প্রভাত। সদনের ঘনঘটা, আলো ঝলমলে নীড়ে, দাড়িবালা কবি আবার আসিবে ফিরে, মাপজোক চলে বিপন্নতায়, জয়, পরাজয় বিষণ্নতায়, কখনো ভোকাল, কখনো নীরবতায়। নিদ্রাহীন রজনী, ভাইকিং হয়ে, বুদ্ধের ধ্যানের ছায়ায় ঢেকে, হালান্ডে মিশে যায়— অস্থির গ্যালারি জুড়ে অভিমানী শ্রাবণ ঝরে পড়ে।
  স্মৃতির অলিন্দে তবুও তুমি বিভ্রম গড়ো ধ্বনির অলিন্দে। তবুও অতীতের সুরে আমি জেগে উঠি, নিঃসঙ্গতার মৃদু সংযোগে শব্দহীন কবিতারা বয়ে চলে সৃষ্টির সুন্দরতম ছবির দিকে। প্রথম দেখা, অগ্নিশিখা— কুয়াশা ঢাকা হ্রদ, জঙ্গলের ফিসফিসে। সব কিছুর ছায়ায় তোমার ইশারা, তুচ্ছ সব প্রশ্ন ঝরে পড়েছিল মৌনতায়। আহা, সেই মুহূর্তগুলো— চুপিচুপি ফিরে আসে পুকুরপারের গল্পে, রাসমাঠের ধূলিধূসর প্রান্তে, গঞ্জের হাটের কোলাহলে। নিত্যনতুন স্মৃতি রচনার প্রস্তুতিতে।
  মিউজিক ডে‑র স্মৃতি ও ব্যাড ড্যুবেনের দিনগুলি সম্প্রতি আমাদের গ্রুপের একজনের আমন্ত্রণে মিউজিক ডে সেলিব্রেশনে গিয়ে ছেলেদের উৎসাহ দেখে মন ভরে গেল। সেই মুহূর্তে হঠাৎই চার বছর আগের আমার জার্মানির অভিজ্ঞতা তরতাজা হয়ে উঠল। আমি এক মাস কাটিয়েছিলাম জার্মানির এক দূরবর্তী গ্রামে— Bad Düben । নামের শুরুতে Bad মানে স্পা বা বাথ, আর সত্যিই গ্রামটি ছিল উষ্ণ জলের ধারায় ঘেরা। দুই পাশে এলবে আর মুল্ডে নদী, মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি চার্চ যেন গ্রামের হৃদয়। সপ্তাহান্তে সেখানে চলত সফট বা হার্ড রক প্রোগ্রাম—শুক্রবার থেকে রবিবার অবধি। বারবিকিউ আর স্থানীয় বিয়ারের সঙ্গে ঝিরঝিরে বৃষ্টির মধ্যে রক মিউজিক—মনে হতো যেন এ এক স্বপ্নের দেশ। দূষণবিহীন বাতাসে বৃষ্টির শব্দও ছিল নিঃশব্দ, যেন প্রকৃতি নিজেই সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজছে। একদিন মজার ঘটনা ঘটল। বড় বড় ছাতার নিচে আশ্রয় নিয়ে প্রোগ্রাম দেখছিলাম। হঠাৎ চোখ গেল এক জার্মান বন্ধুর দিকে—দেখি তিনি উদ্বিগ্নভাবে কাউকে খুঁজছেন। পরমুহূর্তে দেখি আমাদের গ্রুপের পেছনে লুকোচুরির চেষ্টা করছেন। পরে জানা গেল, সামনের দিকে দুটি টিনএজার তরুণী আনন্দে মেতে উঠেছিল বিয়ার আর সিগারেট সহযো...
ক্যালিফোর্নিয়া মায়া:   চেরি, বেরি, আনারকলি,   পাহাড়ে নীলি লিলি,   নরম রোদে সোনালি দিনগুলি,   আলো-আঁধারির ঝিলিমিলি,   সান্তা মনিকার পিয়ারে কি তুই মৎস্যকন্যা হলি ?   নোবেল পার্কের নিরালা কোন,   ভাসমান হলুদ প্রজাপতি মন,   পাম ট্রির শিরশিরানি,   ফোয়ারা জলের ফিসফিসানি,   কাঠবেড়ালির রাজত্বে মায়াজাল।   আল্টো গোলাপের সকাল,   মীরামার থেকে সীগাল,   সাদা-কালো থেকে রঙিন দিন,   মোহিতো, লাইম আর জিন,   স্পিডবোটের ধামাল।   প্রশান্ত সাগরপারের রাত,   লক্ষ বালুকণার জোনাকি সাথ,   সানসেট ক্লিফের রক্তিম আভা,   যুগল প্রেমের লাভা,   ঢেউয়ের মাঝে শক্ত করে হাতে হাত।   কুয়াশার রহস্যময় দিন,   সী-লায়নের শীতল জিন,   পয়েন্ট লোমার লাইটহাউস ছায়া,   নেভি পিয়ারের জলদেবীর কায়া,   বাহুপাশে — ক্যালিফোর্নিয়া মায়া।   চেরি, বেরি, আনারকলি, পাহাড়ে নীলি লিলি, নরম রোদে সোন...
'মন কি বাত' ব্যানারে 'কাম কি বাত', পাথরবাজ পথে ছাত্রের সাথ, রাজধানীর আঙিনায় কুস্তি-কাবাডি বর্ষা, দেশের বুক ভরসাহীন, শিয়রে সমস্যা। নিদ্রাহীন রজনী, ভাইকিং হয়ে হালান্ডে মিশে যাক— বুদ্ধের ধ্যানের ছায়া, অস্থির গ্যালারি জুড়ে উঠুক শান্তির সুরভি, পাথর হোক অশ্রুর ঢেউ, ফিরুক স্বপ্নমাখা গোলকাব্যের কিস্সা, চোরাস্রোতে বয়ে যাক জেন জি গুস্সা। জয়-পরাজয়ের মাপজোক: ‘মন কি বাত’ ব্যানারে ‘কাম কি বাত’, পাথরবাজ পথে জেন জি’র সাথ, রাজধানীর আঙিনায় কুস্তি-কাবাডি, টিয়ার গ্যাসে ভেজা দিন-রাত, রক্তিম পতাকার নিচে অস্থির প্রভাত। সদনের ঘনঘটা, আলো ঝলমলে নীড়ে, দাড়িবালা কবি আবার আসিবে ফিরে, মাপজোক চলে বিপন্নতায়, জয়, পরাজয়, বিষণ্নতায়, কখনো ভোকাল, কখনো নীরবতায়। নিদ্রাহীন রজনী, ভাইকিং হয়ে, বুদ্ধের ধ্যানের ছায়ায় হালান্ডে মিশে যায়— অস্থির গ্যালারি জুড়ে অভিমানী শ্রাবণ ঝরে পড়ে। প্রবাহমান স্রোতে বয়ে যাক জেন জি গুস্সা। 'মন কি বাত' ব্যানারে 'কাম কি বাত' পাথরবাজ মিলেমিশে ছাত্রের সাথ, ফুটবলের আঙিনায় কাবাডি কুস্তি ভরসা, নিদ্রাহীন রজনী ব্লন্ড ভাইকিং হয়ে হালান্ডে মিশে যাক— ...
একদিন ছিল যখন— উইন্ডোজ ছিল ঘরের ছোট্ট জানালা,   অ্যাপ্লিকেশন মানে কাগজে লেখা খেলা।   কীবোর্ড ছিল পিয়ানো, মাউস ছিল প্রাণী,   ফাইল ছিল অফিসের জরুরি কাগজখানি।   হার্ড ড্রাইভ মানে ক্লান্তিকর পথযাত্রা,   কাট করতাম ছুরি হাতে, পেস্ট করতাম আঠার সাথে।   ওয়েব ছিল মাকড়সার ঘর, ভাইরাস ছিল জ্বর,   অ্যাপল আর ব্ল্যাকবেরি ছিল কেবল ফলের ঘর।   উইন্ডোজ ছিল ঘরের ছোট্ট জানালা, অ্যাপ্লিকেশন মানে কাগজে লেখা খেলা। কীবোর্ড ছিল পিয়ানো, মাউস ছিল প্রাণী, ফাইল ছিল অফিসের জরুরি কাগজখানি। হার্ড ড্রাইভ মানে ক্লান্তিকর পথযাত্রা, কাট করতাম ছুরি হাতে, পেস্ট করতাম আঠার সাথে। ওয়েব ছিল মাকড়সার ঘর, ভাইরাস ছিল জ্বর, অ্যাপল আর ব্ল্যাকবেরি ছিল কেবল ফলের ঘর।
  মিউজিক ডে-র স্মৃতি সম্প্রতি আমাদের গ্রুপের একজনের আমন্ত্রণে মিউজিক ডে সেলিব্রেশনে গিয়ে ছেলেদের উৎসাহ দেখে বেশ ভালো লাগল। সেটা হঠাৎই চার বছর আগের আমার জার্মানির অভিজ্ঞতাকে তরতাজা করে দিল। আমি এক মাস কাটিয়েছিলাম জার্মানির এক দূরবর্তী গ্রামে। গ্রামের নাম ছিল Bad Düben —যদিও তার মধ্যে কোনো Bad ছিল না, কারণ জার্মান ভাষায় Bad মানে স্পা বা বাথ। গ্রামটিতে গভীর অরণ্যের মধ্যে অনেকগুলো গরম জলের ধারা ছিল। দুই দিক ঘিরে রেখেছিল এলবে আর মুল্ডে নদী। মাঝখানে ছিল একটি চার্চ, যা ছিল কেন্দ্রবিন্দু। সপ্তাহান্তে সেখানে চলত সফট বা হার্ড রক প্রোগ্রাম—শুক্রবার থেকে রবিবার অবধি। বারবিকিউ আর স্থানীয় বিয়ারের সাথে সফট রক মিউজিক, আর ঝিরঝিরে বৃষ্টি—মনে হতো যেন এ এক স্বপ্নের দেশ। দূষণবিহীন বলে বৃষ্টি পড়ত নিঃশব্দে। একদিন মজার ঘটনা ঘটল। বৃষ্টি থেকে বাঁচতে বড় বড় ছাতার নিচে আশ্রয় নিয়ে প্রোগ্রাম দেখছিলাম। হঠাৎ চোখ গেল এক জার্মান বন্ধুর দিকে—দেখি তিনি খুব উদ্বিগ্নভাবে কাউকে খুঁজছেন। পরমুহূর্তে দেখি আমাদের গ্রুপের পেছনে লুকোচুরির চেষ্টা করছেন। ভাবলাম, এ কেমন খেলা, তাও এই বয়সে! কলিগরা ইশারা করল সামনের দিকে—দুটি টিনএজ...