আঙ্কোরভাটের সন্ধ্যা:
রেখা দুটি সরল থেকে সমান্তরালে বাঁক নেয়,
ট্রাপিজ হয়ে ঝুলে থাকে ত্রিভুজের ভাঁজে।
জ্যামিতির ভাঙা সূত্রের ভেতর
ঘূর্ণমান এক অক্ষের খোঁজে—
তুমি কি শব্দহীনতায় হাজার বছর হারিয়ে যাবে
আঙ্কোরভাট মন্দিরের গহ্বরের মাঝে?
প্রতিটি স্তম্ভে খোদাই করা দেবতার দৃষ্টি,
পলপটের ছায়ায় ইতিহাসের রক্তমাখা স্মৃতি,
ধূপের ধোঁয়ায় প্রেতাত্মার ছটফটানি,
বিনাশের আগে পরিত্রাণের আর্তি।
ফিরতিপথের পক্ষিকুলের শব্দজব্দে তোমার
বিষ্ণুলোকে তখন সন্ধ্যা নামে।
Comments
Post a Comment